Friday, March 16, 2007

নন্দীগ্রাম আবার

গুরুচণ্ডা৯র পাতা থেকে একটি লেখা তুলে দিলাম। কতটা বিশ্বাসযোগ্য সেটা সময়ই বলবে। ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করতে আমার কষ্ট হচ্ছে। যদি সত্যি হয়, আর কখনো মুখ খুলবো না, কিন্তু যদি মিথ্যে হয়, তাহলে তারা চ্যানেল এবং সৌমিত্র বসুকে জবাবদিহি করতে হবে মৃত্যুকে নিয়ে ঘৃণ্য ব্যবসা ফাঁদার জন্যে, আর গুরুচণ্ডা৯কেও প্রশ্ন করবো এই ব্যবসায় সঙ্গী হবার দায়ে - অরিজিৎ

___________________________________________________

নন্দীগ্রামের সেই রাত
- সৌমিত্র বসু, সম্পাদক, অন্যস্বর

এটা সেই রাতের ঘটনা৷ ১৪ই মার্চ রাত৷ দিনের বেলার "অপারেশন নন্দীগ্রাম' শেষ হবার পর রাতে সিপিএম স্থানীয়ভাবে একটি বারো ঘন্টার বন্ধ ডাকে৷ এই রকম একটি প্রত্যন্ত এলাকায়, যেখানে লোকজন এমনিতেই সন্ধ্যা হলেই ঘরে ঢুকে পড়ে, সেখানে এরকম একটি বন্ধ ডাকার অর্থ কি? দিনের আলোয় প্রথম পর্বের পুলিশি আক্রমণের পর, যখন খবর আসছিল, ৬০ জনের মতো মানুষের মৃত্যু হয়েছে, মানুষের মৃত্যুতে আমরা শিহরিত, আতঙ্কিত হচ্ছিলাম, তখনও জানা ছিলনা, এই গণহত্যার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পর্বটি এখনও বাকি থেকে গেছে৷ ঠিক তখনই, মহাকরণে আমাদের প্রিয় মুখ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট স্র্চিব এই দ্বিতীয় এবং ভয়ঙ্করতম পর্বটির পরিকল্পনা করছিলেন৷ সেই পরিকল্পনাকে কাজে পরিণত করতে বন্ধ এবং রাতের অন্ধকারের প্রয়োজন ছিল তো বটেই৷

রাত নামছিল নন্দীগ্রামে আর মৃত্যু নিয়ে সংখ্যার খেলা ততক্ষণে যথেষ্ট ধূম্রজাল সৃষ্টি করে ফেলেছিল৷ সেই ধূম্রজাল পরেও কাটেনি৷ দৈনিক স্টেটসম্যান জানাচ্ছে ৩১ জন মৃত, বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলি জানাচ্ছে ১৮ জন মারা গেছেন৷ বিবিসি সংবাদদাতা অমিত ভট্টশালী প্রকাশ্যে জানাচ্ছেন ৩২ জন মারা গেছে, এবং তারপরে প্রকাশ্যেই ঘোষণা করছেন, সরকার থেকে নির্দেশের ফলে বিবিসি কেবলমাত্র সরকারি সংখ্যাটিই ঘোষণা করতে বাধ্য, তাই তাঁরা সংখ্যাটাকে ১১ই রাখছেন৷ তারা টিভির গৌরাঙ্গ, যাকে পুলিশ দিনের বেলায় আটক করে সিপিএম বাহিনীর হাতে তুলে দেয়, এবং প্রকাশ্য টিভিতে যাঁকে সিপিএম বাহিনীর হাতে আক্রান্ত হতে শোনা গেছে, তিনি তাঁর "অফ-দা-রেকর্ড' বক্তব্যে মৃতের সংখ্যা ১০০+, এবং অন-দা-রেকর্ড বক্তব্যে "অগুন্তি' বলে জানাচ্ছেন৷ তারা টিভির সংবাদদাতা সুব্রত, মমতার সঙ্গে ছিলেন, তিনি জানাচ্ছেন, মৃতের সংখ্যা "অসংখ্য', কারণ কারোর পক্ষেই সঠিক সংখ্যা জানা বা বলা সম্ভব নয়৷ মহান রাজ্য সরকার এবং তার মুখপাত্র শ্রী ভোরা জানাচ্ছেন, মৃতের সংখ্যা ৬৷ এই সংখ্যাটাই তাঁকে জানানো হয়েছে, এবং তিনি প্রেসকে পরে আরও জানাবেন৷

সংখ্যা, এভাবেই কমছিল বাড়ছিল, যেন মানুষ নয়, সংখ্যার খেলা হচ্ছে৷ ইতিমধ্যে নন্দীগ্রামে বন্ধ ও সন্ধ্যা নেমেছিল যথাসময়ে৷ তারা টিভির সুব্রত এবং গৌরাঙ্গ ঘটনাস্থলে ছিলেন৷ রাতের সেই ভয়ঙ্করতম ঘটনার তারা প্রত্যক্ষদর্শী৷ এই বিবরণ মূলত: তাদেরই বিবরণ৷ ঘটনার বর্ণনার আগে সেই প্রত্যক্ষদর্শীর মুখ থেকে শুনে নেওয়া যাক, সেই সেন্সরশিপের কথা, যা, সে নিজেই নিজের উপর আরোপ করেছে৷ "আমি যা দেখেছি, আমার যা বলা উচিত, আমি মিডিয়াকে সেসব বলছিনা, কারণ মানুষ বা আমাদের দর্শকরা সেসব বিশ্বাস করবে না৷ মানুষের বিশ্বাসের একটা সীমা আছে, লোকে আমাকে পাগল বলবে৷ আমি যা দেখেছি, শুনেছি, যার মধ্যে দিয়ে গেছি, নিজেই নিজেকে সেসব বিশ্বাস করাতে পারছিনা৷ দু:স্বপ্নের রাতের মতো যদি যা দেখেছি, শুনেছি, সেগুলো সত্যিই যদি প্রলাপ হত৷৷৷ '

গৌরাঙ্গ এবং সুব্রত জানাচ্ছেন, না,থেট্র বা মারধোরের কারণে নয়, সেই রাতে তাঁরা যা দেখেছেন, তার পর হোটেলের ঘরে ফিরে তাঁদের সত্যিই অনেকবার বমি করতে হয়েছে৷

""ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেল্স আর কম্যান্ডোদের নিয়ে সিপিএম বাহিনী প্রত্যেকটা পাড়ায়, প্রত্যেকটা গ্রামে ঢোকে৷ পুরুষদের টেনে বার করে আনা হয়৷ ওরা কাউকে আটক করছিল না৷ কোনো বন্দী নেই, কোনো সাক্ষী নেই,ওরা গুলি করছিল,পেটে বেয়নেট ঢুকিয়ে নাড়িভুঁড়ি বার করে আনছিল,শরীরগুলো ভাসিয়ে দিচ্ছিল খালে, সেখান থেকে মোহনা আর সমুদ্রে৷ তারপর কমবয়সী মেয়েদের টেনে আনা হচ্ছিল, তাদেরকে ফাঁকা জায়গায় একসঙ্গে জড়ো করা হয়,ক্রমাগত ধর্ষণ করে চলা হয়, যতক্ষণ না একেকজন কোলাপ্স করে যায়, তারপর, একদম আক্ষরিক অর্থে, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছিঁড়ে আনা হয়,কাউকে কাউকে একদম টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলা হয়,তারপর হলদি নদী কিংবা তালপটি খালে ভাসিয়ে দেওয়া হয়৷ এসবের কোনো সাক্ষী টিকে নেই৷ থাকলেই বা কি,যদি কেউ বেঁচেও থাকে, মেদিনীপুরের কোন মেয়েই বা নিজের উপরে অত্যাচারের গল্প ফলাও করে বলবে, আর বললে বিশ্বাসই বা করবে কে? তাছাড়া কেউ বললে তাকেও তো একই জিনিস করে খুন করা হবে৷

এইসব শেষ হবার পর, সিপিএম আর পুলিশ তারপর গোটা এলাকা লাল ব্যানার আর পতাকা দিয়ে ঢেকে দিচ্ছিল৷ মানে, এলাকা এখন নিরাপদ আর শুধু তাদের রাজত্বই চলবে৷ যারা গ্রাম থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল, তারা প্রায় সবাই ধরা পড়ে গ্রামের কিনারায় বা আশেপাশে৷ তাদের কি হয়েছে, কেউ জানেনা৷ আমরা শুধু তাদের কথাই শুনতে পেয়েছি, যারা মাঠ আর জঙ্গল পেরিয়ে পালাতে পেরেছে৷ সেটাও খুব কঠিন৷ এখন মাঠ শুকনো৷ ফসল কাটা হয়ে গেছে৷ মাঠের উপর দিয়ে গেলে যে কেউ দেখতে পাবে৷

অসংখ্য ধর্ষণ হয়েছে৷ সরকারি ভাবে ধর্ষণের সংখ্যা ৬, কারণ, এই কজনই নিজেদের গল্প বলার জন্য টিকে আছে৷ এরা সবাই মধ্যবয়সী, সেই কারণেই হয়তো কেটে কুচিকুচি হবার হাত থেকে কোনোভাবে বেঁচে গেছে৷ গ্রামের পর গ্রামে এই জিনিস চলেছে৷ রাত পেরিয়ে সকালেও চলেছে৷ সমস্ত সাংবাদিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ দৈনিক স্টেটসম্যানের সাংবাদিক সুকুমার মিত্র বুলেটবৃষ্টির মধ্যে কোনোরকমে পালিয়েছেন৷ ওনাকে নাম ধরে, বিশেষ করে খোঁজা হচ্ছিল, কোনো কায়দায় উনি পালাতে পেরেছেন৷ আক্রমণকারীরা এতো হিংস্র, যে স্থানীয় কোনো লোক কারো কাছে মুখ খুলতে চাইছে না৷ ভয়কে একটা অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে৷ আতঙ্ককে ব্যবহার করা হচ্ছে সামাজিক সেন্সরশিপের একটা পদ্ধতি হিসাবে৷

পাশেই হরিপুর সাবডিভিশান৷ যেটা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্য চিহ্নিত৷ সেখানেও প্রতিবাদ হয়েছে৷ সেখানকার লোকেরা মূলত: মাছ ধরে৷ তাদের মাছ ধরা এখন বন্ধ করতে হয়েছে দুটো কারণে৷ এক, খাঁড়ি আর সমুদ্র মৃতদেহে ভরে আছে৷ দুই, আরও খারাপ যেটা, হাঙর, কুমীর আর ঘড়িয়ালরা তাজা রক্তের লোভে সুন্দরবন থেকে এইদিকে চলে আসছে৷ এরা মানুষের শরীর তো খাচ্ছেই, সঙ্গে সমস্ত মাছও খেয়ে নেবে এরকম একটা আশঙ্কা৷ মাছ ধরতে গেলে জালে কুমীর আর হাঙর উঠে আসছে৷ এরকম চলতে থাকলে হরিপুরের মানুষ আগামী সপ্তাহখানেক কাজ করতে পারবেনা৷ স্থানীয় লোকেদের বিশ্বাস, হরিপুরকে শিক্ষা দেবার জন্য এটা প্রশাসন আর সিপিএমের পূর্বপরিকল্পিত৷ হরিপুরে কেন্দ্রীয় দল, এমনকি আরও বড়ো পুলিশ বাহিনী ঘুরে গেছে৷ নন্দীগ্রাম আর হরিপুরকে একসাথে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে৷

মৃতদেহের কোনো চিহ্ন কখনও পাওয়া যাবেনা,ধর্ষণের কোনো প্রমাণ থাকবেনা, এটাই এখন ওদের মডেল৷ সত্যিই কতজন মারা গেছে জানা যাবে তিন মাস পরে, তাও যদি এলাকায় শান্তি ফিরে আসে, যদি বাসিন্দারা আদৌ ফিরে আসতে পারে, যদি তারপর নিখোঁজ মানুষজনের সংখ্যা গোণা হয়৷ কিন্তু সিপিএম এখন এই এলাকাগুলোকে "মুক্ত', "স্বাধীন' করেছে, এর পরে মনে হয়না এলাকাছাড়াদের ফিরে আসতে দেওয়া হবে, আর এদের সম্পত্তি দিয়ে দেওয়া হবে কেশপুর গড়বেতা থেকে সিপিএমের যে লোকজন এসেছে, তাদেরকে৷ নন্দীগ্রাম আর হরিপুরকে পরবর্তী নির্বাচনের জন্য নিরাপদ এলাকা বানিয়ে তারপর পুরোটা গুটিয়ে ফেলা হবে৷''

এই সেই গল্প, যা দেশভাগের গল্পের চেয়েও ভয়াবহ৷ সাংবাদিকরা সবাই এই সব জানেন, কিন্তু কেউই বলতে এগিয়ে আসবেননা৷ বললে তাদেরকে খুঁজে বার করা হবে, এবং লোপাট করে দেওয়া হবে৷ যে সমস্ত সাংবাদিক এবং বুদ্ধিজীবীরা বিপক্ষে গেছেন, তাঁদের ভয় দেখানো তো শুরু হয়েই গেছে৷

আমাদেরই তাই লিখতে হবে বিকল্প ইতিহাস৷ অন্য কোনো বিকল্প নেই৷ আমি জানিনা, কে কতটা বিশ্বাস করলেন, তবে নাম-ধাম-সূত্র সবই দেওয়া রইল আগ্রহী মানুষ, ইতিহাসকার এবং ভবিষ্যতের জন্য৷ যদি কেউ চান, তিনি যাচাই করতে পারেন৷ খুঁড়ে বার করতে পারেন৷ এ ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প আছে কিনা আমার জানা নেই৷
___________________________________________________

হ্যাঁ - নাম-ধাম-সুত্র যখন রয়েছে, তখন এই লেখার সত্যাসত্য প্রমাণিত হোক। সত্যি প্রমাণ হলে শাস্তি হোক দোষীদের, আর মিথ্যে প্রমাণ হলে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক তারা নিউজ, সৌমিত্র বসু আর গুরুচণ্ডা৯কে।

আপডেটঃ এখনো অবধি তারা নিউজ ছাড়া এই খবর কেউ দেয়নি। অদ্ভুতভাবে খবরের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন করলে আপনার মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। ইফ ইউ আর নট উইথ আস, ইউ আর এগেইনস্ট আস - কথাটা এখানেও সত্যি বলে দেখছি। তারা নিউজের ক্রেডিবিলিটি নিয়ে প্রশ্ন আগেও উঠেছে, কিন্তু এক্ষেত্রে দেখছি এই প্রশ্ন করাটাকে ইক্যুয়েট করা হচ্ছে নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলি চালানোকে সমর্থন করার সাথে। আর অন্য কোথাও তারা নিউজের সমর্থনে কোনও খবর না থাকলেও, ইন্টারনেটে বিভিন্ন ফোরামে এর সমর্থনে একটা ভালো প্রচার চলছে, যেটা আরও বেশি প্রশ্ন জড়ো করছে।

আমরা সকলেই শুধু সেটাই বিশ্বাস করি, যেটা বিশ্বাস করতে চাই। কেউ প্রশ্ন করলে তার গায়ে নানারঙের ছাপ দিয়ে দিতে বা তাকে অমানুষ জন্তু হিসেবে তুলে ধরতে হাত একটুও কাঁপে না।

- অরিজিৎ

3 comments:

Aparna Ray said...

ঠিক কি হচ্ছে নন্দীগ্রামে তা বোঝা কষ্টকর। মিডিয়ার খেলা দেখে কিছুই বোঝার উপায় নেই। দুটো চ্যানেল পাশাপাশি দেখলে মিল খুজে পাওয়া কঠিন যে তারা একই ঘটনার বর্ণ্না দিচ্ছে। আশা করছি সিবিয়াই তদন্তের মাধ্যমে কিছু সত্য প্রকাশ হবে ও দোষিরা শাস্তি পাবে।

INDRANI said...

নন্দীগ্রামে মৃতের সংখ্যা সরকার যা বলছে তার চেয়ে অনেক বেশি তা যে কোনো লোকই বুঝতে পারছে,কারণ আমরা জানি যে কোনো ঘটনার দায় কমাতে/এড়াতে সরকার ক্ষতিগুলোকে কম করেই দেখায়|
১.যদি মেনে নিই যে বাধ্য হয়ে পুলিশ গুলি চালিয়েছিল,তাহলে একজন পুলিশকেও এমনকি আহত হতে দেখা গেল না কেন?
২.মাওবাদী থাকার ঘটনা সত্যি হলে,"বহিরাগত"দের েগ্রপ্তার করা হল না কেন? মাওবাদীরা তাদের প্রিয় অস্ত্র মাইন ছেড়ে ঢিল ছুঁড়বে কেন?
৩.পুলিশ আক্রান্ত হলে মহিলাদের পিঠে গুলি লাগবে কেন? লাগার কথা সামনের দিকে|
৪.যে জায়গার প্রায় সব লোকই পুরোনো বামপন্হী,তারা শুধু "গুজব" শুনে সরকারের বিরোধিতা করছেন,কীভাবে বিশ্বাস করব?
৫.যে সি.পি.এম সমর্থকরা ঘরছাড়া,তারা/তাদের পরিবারের পুরুষরা ধোওয়া তুলসি পাতা এবং নির্যাতিত, তা তো দুবেলা বাম নেতাদের মুখে শুনছি|তা মেনে নিলে, যারা সি.পি.এম সমর্থক নন এবং ঘরছাড়া, তাদের জন্য প্রশাসনের মাথাব্যথা নেই কেন? তাদের বাঁচার অধিকার নেই?
৬. সরকারের দায়িত্ব নেই আহতদের দেখতে গিয়ে অন্তত দুটো আশ্বাসবাণী শোনানোর?
৭. কংগ্রেস, তৃণমূল ও বি.জে.পি.র মুখে বড়ো বড়ো কথা মানায়না, বরানগর কারা করেছিল? আর গুজরাট?
পাবলিককে গরু ভাবাটা নেতারা কবে বন্ধ করবেন?

Arijit said...

একটা মোটামুটি ভালো ভিউ পড়লাম এখানে - http://www.anandabazar.com/24nibon.htm - পুরো ঘটনাপ্রবাহের টাইমস্কেল।